খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ২৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ইনোভেশন অ্যান্ড প্র্যাকটিসেসে ৪০০ জনের চাকরির সুযোগ

Mahir Alam
প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২:৩০ অপরাহ্ণ
সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ইনোভেশন অ্যান্ড প্র্যাকটিসেসে ৪০০ জনের চাকরির সুযোগ

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ইনোভেশন অ্যান্ড প্র্যাকটিসেস (সিদীপ) জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ফিল্ড অফিসার পদে দুই গ্রেডে মোট ৪০০ জন কর্মী নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ২৮ নভেম্বর ২০২৬ তারিখের মধ্যে আবেদন করতে হবে।


পদের বিবরণ ও বেতন

১. ফিল্ড অফিসার (গ্রেড-১৫)

  • পদসংখ্যা: ২০০টি
  • শিক্ষানবিশকাল: ৬ মাস
  • শিক্ষানবিশ অবস্থায় মাসিক বেতন: ২৪,৫০০ টাকা
  • স্থায়ী হওয়ার পর মোট মাসিক বেতন: ৩২,৩৮০ টাকা

২. ফিল্ড অফিসার (গ্রেড-১৬)

  • পদসংখ্যা: ২০০টি
  • শিক্ষানবিশকাল: ৬ মাস
  • শিক্ষানবিশ অবস্থায় মাসিক বেতন: ২২,৫০০ টাকা
  • স্থায়ী হওয়ার পর মোট মাসিক বেতন: ২৯,৫১০ টাকা


অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা

নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীরা বছরে দুটি উৎসব ভাতা, বৈশাখী ভাতা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উৎসাহ বোনাস, বদলিজনিত ভাতা ও ভ্রমণ ভাতা পাবেন। চাকরি স্থায়ী হওয়ার পর সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, কন্ট্রিবিউটরি প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, বীমা ও পেনশন সুবিধাও দেওয়া হবে।

এ ছাড়া মোটরসাইকেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে মাসিক ২ হাজার ১০০ টাকা জ্বালানি ভাতা এবং ৫০০ টাকা রক্ষণাবেক্ষণ ভাতা প্রাপ্য হবেন কর্মীরা। এই সুবিধা পেতে বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে।


আবেদনের যোগ্যতা

প্রার্থীর বয়স সর্বোচ্চ ৩৫ বছর হতে হবে।


যেভাবে আবেদন করবেন

আগ্রহীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদনপত্র নির্ধারিত ঠিকানায় পাঠাতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার জন্য চারটি ঠিকানা দেওয়া হয়েছে:

১. গাজীপুর জোন (বোর্ডবাজার ব্রাঞ্চ):
বাড়ি নং-৫৪৬, উত্তর খাইলকৌর বটতলা রোড, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গেটের বিপরীতে, বোর্ডবাজার, গাজীপুর সদর, গাজীপুর-১৭০৪।

২. ঢাকা জোন (আদাবর ব্রাঞ্চ):
বাসা নং-৫৪৫, রোড নং-১১, বাইতুল আমান হাউজিং সোসাইটি, আদাবর, ঢাকা।

৩. ব্রাহ্মণবাড়িয়া জোন (ফুলবাড়িয়া ব্রাঞ্চ):
১০৪৭ (ইয়াছিন চেয়ারম্যানের বাড়ি), ফুলবাড়িয়া পশ্চিম, বিরাসার বাসস্ট্যান্ড, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩৪০০।

৪. চাঁদপুর জোন (তরপুরচন্ডী ব্রাঞ্চ):
খলিশাডুলি, হাজী বিল্লাল সাহেবের বাড়ি, পুরাতন পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের বিপরীত দিকে, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর-৩৬০০।


জামানত ও আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত নির্দেশনা

আবেদনের সঙ্গে ৫ হাজার টাকা জামানত জমা দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সংস্থার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই অর্থ লভ্যাংশসহ ফেরতযোগ্য।

সিদীপ জানিয়েছে, তাদের প্রধান কার্যালয় ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যমে—যেমন বিকাশ, রকেট বা নগদে—আর্থিক লেনদেন করা হয় না। নিয়োগের কথা বলে কোনো ব্যক্তি বা প্রতারক চক্র টাকা দাবি করলে তা না দেওয়ার জন্য প্রার্থীদের সতর্ক করেছে প্রতিষ্ঠানটি।


আবেদনের শেষ তারিখ: ২৮ নভেম্বর ২০২৬

 

advertisement
advertisement

বিজিবির হস্তক্ষেপে কহুয়া নদীর বাঁধের কাজ স্থগিত করল ভারত

Naim Hossan
প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ণ
বিজিবির হস্তক্ষেপে কহুয়া নদীর বাঁধের কাজ স্থগিত করল ভারত

ফেনীর পরশুরাম সীমান্তসংলগ্ন কহুয়া নদীর ভারতীয় অংশে বাঁধের সুরক্ষায় কংক্রিটের ব্লক স্থাপনের কাজ শুরু হওয়ার পর বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় উদ্বেগ তৈরি হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, নদীর দুই পাশের বাঁধের উচ্চতা ও শক্তিমত্তায় পার্থক্য থাকলে পানির প্রবাহের চাপে বাংলাদেশের অংশে ভাঙন ও বন্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

গত ৬ নভেম্বর ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের বিলোনিয়া-সংলগ্ন আমজাদনগর এলাকায় ব্লক স্থাপনের কাজ শুরু হয়। বিষয়টি জানার পর বিজিবি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে কাজ বন্ধ রাখার অনুরোধ জানায়। ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিবুল ইসলাম জানান, বিজিবির উদ্যোগের পর কাজটি আপাতত স্থগিত রয়েছে।

এদিকে, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের অংশের বাঁধের বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পরশুরাম উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। পাউবো ফেনীর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, ভারতীয় অংশে ব্লক স্থাপনের কারণে বাংলাদেশের বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিজিবির সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বাংলাদেশের অংশে বাঁধের কয়েকটি জায়গা এখনো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। দ্রুত সংস্কার করা না হলে নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে উত্তর কোলাপাড়া, দক্ষিণ কোলাপাড়া ও আশপাশের জনবসতি এবং কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই তাঁরা ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো দ্রুত মেরামত এবং দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

ভারতীয় অংশে কাজ স্থগিত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আপাতত কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে কহুয়া নদীর বাংলাদেশের অংশের বাঁধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন জরুরি হয়ে উঠেছে। সম্ভাব্য নদীভাঙন ও বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয় এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যকর উদ্যোগ প্রত্যাশা করছেন এলাকাবাসী।

সালমানের সঙ্গে বিরোধের পর কেন থমকে যায় বিবেক ওবেরয়ের ক্যারিয়ার?

Mahir Alam
প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
সালমানের সঙ্গে বিরোধের পর কেন থমকে যায় বিবেক ওবেরয়ের ক্যারিয়ার?

‘কোম্পানি’ ও ‘সাথিয়া’ সিনেমা দিয়ে বলিউডে পরিচিতি পাওয়া বিবেক ওবেরয়ের ক্যারিয়ার একসময় বেশ সম্ভাবনাময় ছিল। তবে সালমান খানের সঙ্গে প্রকাশ্য বিরোধের পর তাঁর পেশাগত জীবন কঠিন হয়ে পড়ে বলে দাবি এই অভিনেতার।


সম্প্রতি ইউটিউব চ্যানেল রেলার্নকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিবেক অভিযোগ করেন, বলিউডের প্রভাবশালী একটি গোষ্ঠী তাঁকে একঘরে করে রেখেছিল। চুক্তিবদ্ধ কয়েকটি সিনেমা থেকেও তাঁকে বাদ দেওয়া হয়। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহীদের ভয় দেখানো হয়েছিল এবং কেউ কেউ আন্ডারওয়ার্ল্ডের হুমকিও পেয়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।


২০০৩ সালে সংবাদ সম্মেলনে সালমান খানের বিরুদ্ধে এক রাতে ৪১ বার ফোন করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন বিবেক। সালমান সেই অভিযোগ অস্বীকার করেন। এরপর দুই অভিনেতার বিরোধ বলিউডে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।


২০০৭ সালের ‘শুটআউট অ্যাট লোখান্ডওয়ালা’ সিনেমার সাফল্যের পরও প্রায় ১৪ থেকে ১৫ মাস কাজ পাননি বলে জানিয়েছেন বিবেক। পরে অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যবসায় মনোযোগ দেন। বর্তমানে রিয়েল এস্টেট ও ল্যাব-গ্রোন ডায়মন্ডের ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত তিনি।


বিবেকের ভাষ্য, অভিনয় তাঁর ভালোবাসা হলেও জীবিকার জন্য আর কারও প্রভাবের ওপর নির্ভর করতে চান না।

উত্তরাঞ্চলে জেঁকে বসছে শীতের আভাস, সামনে শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা

Naim Hossan
প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ণ
উত্তরাঞ্চলে জেঁকে বসছে শীতের আভাস, সামনে শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা

দেশের উত্তরাঞ্চলে ধীরে ধীরে বদলাতে শুরু করেছে আবহাওয়া। রাতের শেষ ভাগ ও ভোরে তাপমাত্রা কমে আসার পাশাপাশি কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। শীতল বাতাসে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় শীতের উপস্থিতি টের পাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কয়েক দফা মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে। জানুয়ারিতে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে।

আবহাওয়ার এমন পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে পারেন নিম্নআয়ের মানুষ, কৃষিশ্রমিক, শিশু ও প্রবীণরা। ভোরে কাজে বের হওয়া শ্রমজীবী মানুষের জন্য ঠান্ডা বাতাস ও কুয়াশা বাড়তি দুর্ভোগ তৈরি করতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌপথে চলাচলেও সতর্কতা প্রয়োজন।

অন্যদিকে, শীতকালীন ফসলের ওপর তাপমাত্রার ওঠানামা ও কুয়াশার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে কৃষকদের জমির নিয়মিত পরিচর্যা এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দাদের শীত মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার তাগিদ দেখা দিয়েছে।

আগামী কয়েক সপ্তাহে তাপমাত্রার পরিবর্তন ও কুয়াশার বিস্তার কেমন হয়, তার ওপর নির্ভর করবে শীতের প্রকৃত তীব্রতা। তাই আবহাওয়া অধিদপ্তরের নিয়মিত পূর্বাভাসের দিকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।